Skip to Content

আমাদের সম্পর্কে


                                                                                                                    

ডা. অর্কপ্রভা দাস অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার বাসিন্দা, যা স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরের সাথে টুইন সিটি হিসেবে পরিচিত এবং কলকাতা—“সিটি অব জয়”—এর নিকটবর্তী। তিনি ব্যাচেলর অব ন্যাচারোপ্যাথি অ্যান্ড যোগিক সায়েন্সেস (BNYS) ডিগ্রিধারী একজন চিকিৎসক। তিনি পশ্চিমবঙ্গ কাউন্সিল অব যোগা অ্যান্ড ন্যাচারোপ্যাথি (Reg. No– A00112, WBCYN) এবং সেন্ট্রাল বোর্ড (Regn. No– 0022) উভয় ক্ষেত্রেই নিবন্ধিত।
তাঁর বিশেষ দক্ষতার ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে অ্যাডভান্স ওজোন থেরাপি, আইভি নিউট্রিশন, নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিক্স, হাইড্রোথেরাপি, আকুপাংচার, ম্যানিপুলেটিভ থেরাপি এবং স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তিনি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি ন্যাচারোপ্যাথিক ডায়াগনস্টিক পদ্ধতি—যেমন পালস (Pulse), আইরিস (Iris), জিহ্বা (Tongue) এবং ফেসিয়াল (Facial) ডায়াগনসিস—ব্যবহার করেন।
ডা. অধিকারীর চিকিৎসা দর্শনের মূল ভিত্তি হলো কেবল রোগের চিকিৎসা নয়, বরং মানুষের সম্পূর্ণ সত্তার—শরীর, মন ও আত্মা—সমন্বিত আরোগ্য সাধন। এই সামগ্রিক বা হোলিস্টিক হেলথ (Holistic Health) ধারণার মাধ্যমেই তিনি রোগীর প্রকৃত সুস্থতা প্রতিষ্ঠার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

বর্তমানে তিনি উত্তর প্রদেশের মীরাটে অবস্থিত স্বামী বিবেকানন্দ সুভারতি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ক্লিনিক্যাল ন্যাচারোপ্যাথি বিষয়ের উপর এম.ডি. (MD in Clinical Naturopathy) অধ্যয়ন করছেন। তাঁর গবেষণা ও অধ্যয়নের মূল লক্ষ্য হলো প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা (Preventive Health), যাতে মানুষের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা আরও উন্নত করা যায়। তিনি সুস্থ জীবনধারা প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের জ্ঞান ও দক্ষতা ক্রমাগতভাবে উন্নত করার প্রতি নিবেদিত।
তাঁর চিকিৎসা জীবনের মূল মন্ত্র হলো—
“Medicine cures diseases, but only doctors can cure patients.”
অর্থাৎ, ওষুধ রোগকে সারাতে পারে, কিন্তু একজন প্রকৃত চিকিৎসকই রোগীকে সম্পূর্ণভাবে আরোগ্য করে তুলতে পারেন।

আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সাথে ঐতিহ্যবাহী ন্যাচারোপ্যাথিক চিকিৎসা-প্রণালীর সমন্বয়ের মাধ্যমে ডা. অধিকারী প্রতিটি রোগীর জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক (individualized) স্বাস্থ্য-পরিকল্পনা তৈরি করেন। এই সমন্বিত চিকিৎসা পদ্ধতির লক্ষ্য হলো রোগীদের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্ভাবনা অর্জনে সহায়তা করা এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করা।
তাঁর চিকিৎসা দর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রাকৃতিক চিকিৎসার মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী সক্রিয় জীবন (active longevity) নিশ্চিত করা। রোগী-কেন্দ্রিক এই সমন্বিত (holistic) পদ্ধতিতে তিনি কেবল রোগের চিকিৎসাই করেন না, বরং সামগ্রিক সুস্থতা, রোগ প্রতিরোধ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যরক্ষা নিশ্চিত করার উপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেন।

  • তিনি ২০১৬ সালে জাতীয় ন্যাচারোপ্যাথি ইনস্টিটিউটের (AYUSH মন্ত্রণালয়, ভারত সরকার) প্রাক্তন ছাত্র।
  • তিনি কুন্বার শেখর বিজেন্দ্র মেডিকেল কলেজ অফ ন্যাচারোপ্যাথি ও যোগিক সাইন্সের প্রাক্তন ছাত্র।
  • তিনি যোগ-ন্যাচারোপ্যাথি-পঞ্চকর্ম চিকিৎসা ও গবেষণা কেন্দ্র (যোগগ্রাম, পতঞ্জলি), উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন ইন্টার্ন ছিলেন।
  • তিনি জাতীয় ন্যাচারোপ্যাথি ইনস্টিটিউট (AYUSH মন্ত্রণালয়, ভারত সরকার) পুণের প্রাক্তন ইন্টার্ন ছিলেন।
  • তিনি নবনীত প্রাকৃতিক যোগ চিকিৎসা ধামের প্রাক্তন ইন্টার্ন ছিলেন।
  • তিনি সত্যসাই মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গবেষণা কেন্দ্রে (ওড়িশা সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের দ্বারা স্বীকৃত) মেডিকেল অফিসার ও লেকচারার (ইন-চার্জ প্রিন্সিপাল) হিসেবে কাজ করেছেন।
  • তিনি ২০২১ সাল থেকে ভারতীয় ন্যাচারোপ্যাথি যোগ স্নাতক মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন পশ্চিমবঙ্গ শাখার যুগ্ম সচিবের পদে আছেন (INYGMA-WB)।
  • তিনি আন্তর্জাতিক ন্যাচারোপ্যাথি সংগঠনের (INO/WB/20083) সদস্য।


     

আমাদের কেন নির্বাচন করবেন?


আমরা নিশ্চিত করি যে প্রতিটি রোগী মূল্যবান অনুভব করে। আমাদের ক্লিনিক একটি স্বাগত জানানো পরিবেশ বজায় রাখে যেখানে সবাই ব্যক্তিগত যত্ন পায়।

সমস্ত রোগী স্বীকৃত যোগ ও ন্যাচারোপ্যাথি অনুশীলনকারীদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত যত্ন লাভ করেন।


একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন